• ঢাকা
  • সোমবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে চাকরি, কারাগারে সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল

অনলাইন ডেস্ক

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে চাকরি, কারাগারে সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল
নেত্রবাংলা অনলাইন ডেস্ক:
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি পেতে নিজের চাচাকে বাবা পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. কামাল হোসেনকে। তিনি বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে কর্মরত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ তার জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জামিনের শর্ত একাধিকবার ভঙ্গ করায় আদালত এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন পান কামাল হোসেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে ডিএনএ পরীক্ষাসহ তদন্তে সহযোগিতার শর্তে তাকে জামিন দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত শর্ত মানা না হওয়ায় প্রসিকিউশনের আবেদনের পর শুনানি শেষে জামিন বাতিল করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, কামাল হোসেনের প্রকৃত পিতা মো. আবুল কাশেম এবং মাতা মোছা. হাবীয়া খাতুন। অথচ মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা নিতে তিনি তার আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব ও চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে পিতা-মাতা হিসেবে দেখান। এই পরিচয় ব্যবহার করেই তিনি ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি লাভ করেন।
দুদকের অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার সময় তিনি প্রকৃত বাবার নামই ব্যবহার করেছিলেন। নবম শ্রেণিতে ওঠার পর স্কুল রেজিস্ট্রেশনের সময় কৌশলে পিতা-মাতার পরিচয় পরিবর্তন করেন।
এ ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু।

আরও পড়ুন

  • অপরাধ এর আরও খবর