• ঢাকা
  • সোমবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
প্রকাশিত: ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

নেত্রকোনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছাগল খামার পুড়ে ছাই, মারা গেছে ২৯টি ছাগল

অনলাইন ডেস্ক

নেত্রকোনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছাগল খামার পুড়ে ছাই, মারা গেছে ২৯টি ছাগল

নেত্রবাংলা অনলাইন ডেস্কঃ

ভোরের নীরবতা ভেঙে হঠাৎ আগুনের লেলিহান শিখায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নেত্রকোনায়। একটি ছাগল খামারে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় দুটি খামারঘর। আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছে অন্তত ২৯টি ছাগল। খামার মালিকের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২৫ লাখ টাকা।

রোববার ভোর আনুমানিক পৌনে ৪টার দিকে নেত্রকোনা সদর উপজেলার কাইলাটি এলাকায় কিড্ডি কিংডম পার্ক সংলগ্ন ‘ব্রাদার্স ইনডিকেটেড ফার্মে’ আগুনের সূত্রপাত হয়। অগ্নিকাণ্ডের সময় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় খামারের ভেতরে থাকা ছাগলগুলোকে বের করে আনার কোনো সুযোগ পাওয়া যায়নি।

সংবাদ পেয়ে নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। স্থানীয়দের সহায়তায় প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার খানে আলম খান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিড়ি বা সিগারেটের আগুন থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ ও আগুনের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

খামার মালিক শাহ্ রফিকুর রহমান অ্যাপেলো জানান, আগুনে খামারের দুটি ঘর, ২৯টি ছাগল এবং বিপুল পরিমাণ ছাগলের খাদ্য সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এতে তার দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও বিনিয়োগ এক মুহূর্তে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এটি নিছক দুর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত কোনো নাশকতা—সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানান তিনি।

ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ও উদ্বেগের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত খামারির পাশে দাঁড়িয়ে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার দুপুরে নেত্রকোনা সদর উপজেলার ইউএনও আসমা বিনতে রফিক, নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) চম্পক দাম এবং জেলা বিএনপি নেতা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ভুক্তভোগী খামারির সঙ্গে কথা বলেন এবং ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

 

আরও পড়ুন